শাইখুল হাদীস আরেফবিল্লাহ হযরত মাওলানা
শাহ তৈয়্যেব আশরাফ সাহেব
দামাত বারাকাতুহুম
তিনি হযরত থানভী রহ. এর সিলসিলার মস্ত বড়ো বুজুর্গ আরেফ বিল্লাহ হযরত মাওলানা শাহ
আব্দুল মতীন বিন হুসাইন সাহেব পীর সাহেব, ঢালকানগর এর একান্ত আস্থাভাজন ও বিশিষ্ট খলীফা, ও মাদরাসা
মারকাযুল ইহসান ঢাকা এর স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল এবং বাইতুল আমান স্টিমারঘাট জামে মসজিদ,
বাদামতলী ঢাকা এর সম্মানিত খতীব। তিনি সর্বজন শ্রদ্ধেয় ও উঁচু স্তরের একজন আলেম ও আধ্যাত্মিক
রাহবার।
বংশ পরিচয়:
মাওলানা শাহ্ তৈয়্যেব আশরাফ সাহেব চাঁদপুর জেলার অন্তর্গত কচুয়া থানার একটি অত্যন্ত
সম্ভ্রান্ত ও শিক্ষিত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর সম্মানিত পিতার নাম হাফেয মুহাম্মদ কুতুবউদ্দিন
সাহেব। যিনি অনেক বড় একজন হাফেয এবং হাজারো হাফেয-আলেমদের উস্তাদ।
শিক্ষা জীবন:
যুগশ্রেষ্ঠ এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বহির্বিশ্বে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত হাফেয ক্বারী আব্দুল
হক সাহেব এর মাদরাসা থেকে হিফয সম্পন্ন করেন। অতঃপর বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
'মাদরাসা বাইতুল উলূম ঢালকানগর' ঢাকা থেকে ২০০২ সালে দাওরা হাদিস তথা মাস্টার্স সমমান পর্যন্ত
দ্বীনি শিক্ষা অর্জন সমাপ্ত করেন।
কর্ম জীবন:
তাঁর প্রখর মেধা-যোগ্যতা এবং অত্যন্ত খোদাভীরুতার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে মাদরাসা বাইতুল
উলূম ঢালকানগর ঢাকার উস্তাদগণ তাকে অত্র মাদ্রাসার শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করেন এবং দীর্ঘ ৪
বছর অত্যন্ত সম্মান ও মর্যাদার সাথে তিনি সেখানে দ্বীনি শিক্ষা প্রদান করেন।
২০০৬/৭ সালে তিনি 'মাদরাসা মারকাযুন নূর' নামে ঢালকানগর, গেন্ডারিয়া, ঢাকাতে একটি
দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। সেখানে শিশু শ্রেণী থেকে দাওরা হাদিস তথা মাস্টার্স সমমান
পর্যন্ত সকল বিভাগের কার্যক্রম চলমান ছিলো।
বর্তমান অবস্থান:
বর্তমানে তিনি ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত দ্বীনী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মাদরাসা মারকাযুল ইহসান
ঢাকা এর স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল ও মোতাওয়াল্লী হিসেবে দায়িত্বরত আছেন। তাঁর
ন্যায়-নিষ্ঠা, সুদক্ষ ও গতিশীল পরিচালনা ব্যবস্থা এবং অক্লান্ত প্রচেষ্টার ফলে মাত্র ৫ বছরের
মধ্যেই মদ্রাসাটি শিশু শ্রেণী থেকে দাওরা হাদিস তথা মাস্টার্স সমমান পর্যন্ত সকল বিভাগে অভাবনীয়
সাফল্যের সঙ্গে শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রেখে এক বিরল ইতিহাসের সূচনা করেছে।
এছাড়াও তিনি দীর্ঘদিন ধরে বাইতুল আমান স্টিমারঘাট জামে মসজিদ, বাদামতলী, ঢাকায় খতীব
হিসেবে দায়িত্বরত আছেন। পাশাপাশি ইসলামের প্রচার-প্রসার ও জনসাধারণের দ্বীন-ইমান সংরক্ষণের লক্ষ্যে
তিনি সারাবছর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছুটে যান এবং বিভিন্ন দ্বীনি মাহফিলে গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতা
রাখেন।